২০২০ সালের শুরুতে যখন বাংলাদেশে ডিজিটাল পেমেন্টের ব্যাপক বিস্তার ঘটছিল এবং স্মার্টফোন ব্যবহারকারীর সংখ্যা কোটি ছাড়িয়ে যাচ্ছিল, তখন একদল তরুণ প্রযুক্তি উদ্যোক্তা একটি সহজ প্রশ্ন নিজেদের করেছিলেন — বাংলাদেশের মানুষ কেন তাদের নিজের ভাষায়, নিজেদের পরিচিত পেমেন্ট পদ্ধতিতে বিশ্বমানের অনলাইন গেমিং উপভোগ করতে পারবেন না? সেই প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে গিয়েই জন্ম নিল gk22w।
শুরুতে দলটি ছিল মাত্র পনেরোজনের। ঢাকার গুলশানে একটি ছোট অফিস থেকে তারা কাজ শুরু করেন। লক্ষ্য ছিল একটাই — বাংলাদেশের খেলোয়াড়দের জন্য এমন একটি প্ল্যাটফর্ম তৈরি করা যেখানে তারা বাংলায় কথা বলতে পারবেন, বিকাশ বা নগদে টাকা লেনদেন করতে পারবেন এবং বিশ্বের সেরা গেম উপভোগ করতে পারবেন — সম্পূর্ণ নিরাপদে। gk22w শুধু একটি গেমিং সাইট নয়, এটি বাংলাদেশের ডিজিটাল বিনোদনের একটি নতুন অধ্যায়।
প্রথম বছরেই gk22w পঞ্চাশ হাজারের বেশি সদস্য পেয়েছিল। ঢাকা থেকে শুরু হয়ে ধীরে ধীরে চট্টগ্রাম, সিলেট, রাজশাহী, খুলনা — বাংলাদেশের প্রতিটি বিভাগে gk22w-এর পরিচিতি ছড়িয়ে পড়েছে। রংপুরের কৃষকপুত্র থেকে বরিশালের মৎস্যজীবী পরিবারের সন্তান, ময়মনসিংহের শিক্ষার্থী থেকে কক্সবাজারের হোটেল কর্মী — gk22w-এর সদস্যরা সারাদেশে ছড়িয়ে আছেন।
আজ আমাদের দলে ১৫০-এর বেশি দক্ষ পেশাদার কাজ করছেন। গেম ডেভেলপার, সাইবার নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞ, কাস্টমার সাপোর্ট বিশেষজ্ঞ, পেমেন্ট বিশেষজ্ঞ — প্রতিটি বিভাগে gk22w সেরা প্রতিভাদের নিয়ে কাজ করছে। আমাদের ২৪/৭ বাংলা সাপোর্ট টিম প্রতিদিন হাজারো খেলোয়াড়ের প্রশ্নের উত্তর দিচ্ছে, সমস্যার সমাধান করছে।
gk22w-এর সাফল্যের পেছনে একটাই রহস্য — খেলোয়াড়দের আস্থা। আমরা কখনো প্রতারণামূলক বিজ্ঞাপন দিই না, অসম্ভব জয়ের প্রতিশ্রুতি দিই না। আমরা বিশ্বাস করি স্বচ্ছতা ও সততাই দীর্ঘমেয়াদী সাফল্যের চাবিকাঠি। গেমের RTP তথ্য, বোনাসের শর্তাবলী, লেনদেনের নিয়মকানুন — সব কিছু আমরা পরিষ্কারভাবে জানাই। কোনো লুকানো চার্জ নেই, কোনো বিভ্রান্তিমূলক অফার নেই।
আগামী পাঁচ বছরে gk22w বাংলাদেশের এক কোটি পরিবারের বিনোদনের অংশ হতে চায়। নতুন গেম, নতুন বৈশিষ্ট্য, আরও উন্নত নিরাপত্তা এবং আরও সহজ পেমেন্ট প্রক্রিয়া — gk22w প্রতিনিয়ত নিজেকে উন্নত করে চলেছে। কারণ আমাদের খেলোয়াড়রা সেরাটাই পাওয়ার যোগ্য।